বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ১১:২৪ পূর্বাহ্ন
এ এইচ অনিক >> দিন দিন অবৈধ বাধ নির্মাণ করে দখলে নিয়েছে জন গুরুত্বপূর্ণ শাতলা ইউনিয়নের ১ ও ২ নং ওয়ার্ডের একতা বাজার থেকে কান্দি পর্যন্ত তিন কিলোমিটার সরকারি খালটি। অবৈধ মাছ চাষী বা ঘের বাণিজ্যের দখল ছাড়াও খালের অনেক স্থানে বাধ নির্মাণ করে বাড়িঘর তৈরি করেছে ৫থেকে ৭টি পরিবার।
স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা যায় কয়েক বছর আগে সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ফজলুল হক হাওলাদার এর ঘেরের পাশদিয়ে সাতলা কান্ধী রাস্থা নির্মাণের জন্য প্রথমে সরকারি খালটিতে একটি বাধটি নির্মাণ করা হয়। দ্বিতীয় বাধটি নির্মাণ করা হয় কয়েক বছর আগে রিন্টু হাওলাদার এর বাড়ির মোরে। ওখানে খালে মাটি ভরাট করেন কাশেম হাওলাদার, তারপরে ভরাট করেন প্রবাসী জাহিদ হোসেন , মোঃ শহিদ হাওলাদারসহ আরো কয়েকজন। একটু সামনে এগিয়ে নরেন ঠেডার বাড়ির পরে কবির মিয়া রেজাউলের ক্লিনিক এর কাছে একটি বাঁধ এভাবে এই খালটিতে মোট পাঁচ থেকে সাতটি বাদ নির্মাণ করা ছাড়াও একাধিক স্থানে পাটা ও নেট দিয়ে পানির গতি রোধ করে মাছের চাষ করা হয়। এ নিয়ে এতদিন এলাকাবাসী জোরালো কোন প্রতিবাদ না করলেও বর্তমানে মাছের অভয় আশ্রম নামে পরিচিত আলামদী বিলের মাঝ দিয় পশ্চিম শাতলা পঞ্চিম সাতলা এলাহির বাড়ি পর্যন্ত বালু ভরাট করে নতুন একটি সড়ক নির্মাণ করা হয়েছে। নতুন করে এই বাঁধনির্মাণ করেন স্থানীয় কয়েকজন প্রভাবশালী মিলে তাদের উদ্দেশ্য তারা ঐ-বিলকে ঘের বানিয়ে মাছের চাষাবাদ করিবেন। তাই কারো কোন কিছুর তোয়াক্কা না করে হঠাৎ করে খালের মাঝে নতুন আরো একটি বড়ো বাদ নির্মাণ করেন এলাহি মিয়ার বাড়ির সামনে। তিন কিলোমিটারের এই খালটির দুই পাশে ধান আবাদি কয়েক হাজার একর জমি রয়েছে, যেখানে বর্তমানেও ইরি ধান চাষের ব্লোক ও হাত ব্লোক রয়েছে। এলাকাবাসী ও জমির মালিকদের দাবি খালটিতে এভাবে একের পর এক বাধদিয়ে দখল করে নিলে আগামীতে আমরা কোথা থেকে জমির পানি আনবো? কিভাবে হবে আমাদের ব্লোক বা ইরি ধানের চাষাবাদ।
স্থানীয় কৃষকদের আরো প্রশ্ন খালটি যদি এভাবেই ভরাট করা হবে তাহলে গত বছরেও প্রায় কটি টাকা ব্যয়ে সরকারের বরাদ্দের টাকায় খালটি খনন করা হলো ক্যানো? কথা হয় সাবেক ইউপি সদস্য চিত্ত অঞ্জন বিশ্বাস এর সাথে।
তিনি আমাদের প্রতিনিধিকে বলেন এই খালটি কাটা হয়েছিল আমাদের ছোট বেলায় স্থানীয়দের প্রয়োজনে সরকারি ভাবে ততকালীন প্যার্সিডেন্ট ছিলো আমাদের নরেন ঠেডা। আর সেই খালটি এভাবে বিলিন হয়ে যাবে আর আমরা মুখবুজে থাকবো। স্থানীয়দের দাবি সরকারিভাবে পুনরায় খালটি উদ্ধার করা হোক তা-না হলে আগামীতে এর ভোগান্তি আমাদেরই ভুগতে হবে।